ড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনা রোধকল্পে সারাদেশে ২২টি জাতীয় মহাসড়কে থ্রি হুইলার অটোরিকশা, অটো টেম্পো এবং অযান্ত্রিক যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আজ শুক্রবার নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নিজ বাড়িতে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন তিনি।
তিনি বলেন, দেশের আড়াই লাখ কিলোমিটার জাতীয়, আঞ্চলিক, জেলা ও গ্রামীণ সড়ক রয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সড়ক-মহাসড়কের পরিমাণ ২১ হাজার কিলোমিটার। এর মধ্যে জাতীয় মহাসড়কে প্রায় তিন হাজার কিলোমিটার। দুর্ঘটনারোধ এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় সরকার ২২টি জাতীয় মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশা চালনা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
Friday, August 7, 2015
এই ঘৃণিত নির্মমতার শেষ কোথায়?
শান্তি নামক শব্দটাকে যেন আমাদের এ প্রিয় মাতৃভূমি থেকে সৃষ্টিকর্তা তুলে নিচ্ছেন অথবা আমরা তুলে নিতে বাধ্য করছি বলেই অনেকটা মনে হচ্ছে। হত্যা, রাহাজানি, সন্ত্রাসী, জবরদখল, ধর্ষণ এবং গণধর্ষণ এখন যেন নিত্য-নৈমিত্তিক একদম সাধারণ ব্যাপারে রুপ নিয়েছে। মানুষ নামক নরপিচাসগুলো যেন সর্বদা উৎপেতে বসে আছে হত্যা আর ধর্ষণের নিকৃষ্ট খেলায়। গত কিছুদিন আগে প্রায় সব-সময়ই সংবাদের শিরোনাম থাকতো বন্দুকযুদ্ধ নামক “ক্রসফায়ারে” হত্যা, বিরোধীদলের কোন নেতার লাশ উদ্ধার এবং গ্রেফতার-গণগ্রেফতার।
ঠিক এই ধারাবাহিকতায়ই ধারাটা প্রায় একই আছে তবে এবার মানষুরুপি শয়তানরা মেতেছে আরো ভয়ংকর পৈশাচিকতায়। এবার বর্বর মানুষরুপি কুকুরগুলো অসহায় শিশু-কিশোরদের নির্মম-নিষ্ঠুরভাবে হত্যায় মেতে উঠেছে। কি নিষ্ঠুর কায়দায় এই শিশুগুলোকে হত্যা করা হচ্ছে যাহা শুধু বেদনাদায়কই না এটা যেন পৃথিবীর সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যক্তি হিটলারের পৈশাচিকতাকেও হার মানায়। এছাড়াও উৎপেতে থাকা হায়েনায় দলগুলো সর্বদা যেন শৃগালের দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে কখন কোন মেয়েকে ধর্ষণের ফাঁদে ফেলে তার সর্বস্ব লুটে নেয়া যায়। দেশ যেন এখন এই হায়েনাদের আক্রমনে ভয়ংকর দুর্বিসহে রুপ নিচ্ছে।
ঠিক এই ধারাবাহিকতায়ই ধারাটা প্রায় একই আছে তবে এবার মানষুরুপি শয়তানরা মেতেছে আরো ভয়ংকর পৈশাচিকতায়। এবার বর্বর মানুষরুপি কুকুরগুলো অসহায় শিশু-কিশোরদের নির্মম-নিষ্ঠুরভাবে হত্যায় মেতে উঠেছে। কি নিষ্ঠুর কায়দায় এই শিশুগুলোকে হত্যা করা হচ্ছে যাহা শুধু বেদনাদায়কই না এটা যেন পৃথিবীর সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যক্তি হিটলারের পৈশাচিকতাকেও হার মানায়। এছাড়াও উৎপেতে থাকা হায়েনায় দলগুলো সর্বদা যেন শৃগালের দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে কখন কোন মেয়েকে ধর্ষণের ফাঁদে ফেলে তার সর্বস্ব লুটে নেয়া যায়। দেশ যেন এখন এই হায়েনাদের আক্রমনে ভয়ংকর দুর্বিসহে রুপ নিচ্ছে।
Sunday, August 2, 2015
ব্রাজিলে ফিরে দলকে জেতালেন রোনালদিনহো
ব্রাজিলের মাটিতে ফিরে নিজ ক্লাবকে জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছেন দেশটির তারকা ফুটবলার রোনালদিনহো। দারুণ সব পাস আর অসাধারণ নৈপুণ্যে নিজের ক্লাব ফ্লুমিনেসকে জয় পাইয়ে দেন বার্সেলোনার সাবেক এ তারকা।
রোনালদিনহো ১৯৮৭ সালে গ্রেমিও’র হয়ে নিজের ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু করেন। ১৯৯৮ সালে ক্লাবটির সিনিয়র দলে সুযোগ করে নেন তিনি। ২০০১ সালে ফরাসি জায়ান্ট দল প্যারিস সেইন্ট জার্মেইনে পাড়ি জমান এ ব্রাজিল তারকা।
সাবেক ক্লাবের বিপক্ষেই নিজ দেশে নতুন ক্লাবের হয়ে নেমেছিলেন রোনালদিনহো। নিজে গোল করতে না পারলেও দারুণ সব পাস দিয়ে ফ্লুমিনেসকে জয়ের রাস্তা বাতলে দিতে থাকেন তিনি। রিও ডি জেনিরোর এ ম্যাচে ৭৭ মিনিটে ফ্লুমিনেস লিড নেয়। আর এ গোলেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রোনালদিনহোর নতুন ক্লাব।
ম্যাচের ৭৭তম মিনিটে গোলটি করেন মার্কোস জুনিয়র। আর দলের জয়সূচক একমাত্র গোলটিতে অবদান রোনালদিনহোর। লম্বা পাসে বল পেয়েছিলেন মার্কোস। সেটি থেকে গোলটি আদায় করেন তিনি।
সম্প্রতি ৩৫ বছরের এ তারকা ব্রাজিলের ক্লাব ফ্লুমিনেসে যোগ দেন। গত মাসে মেক্সিকান ক্লাব কুইরেতারো রোনালদিনহোকে ছেড়ে দেওয়ার পরে এজেন্ট মুক্ত ছিলেন তিনি। ফুটবল ক্যারিয়ারে বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে খেলা রোনালদিনহো প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন, বার্সেলোনা ও এসি মিলানের মত বড় ক্লাবগুলোতে খেলেছেন। ১৯৯৯ সালে সেলেকাওদের হয়ে অভিষেক হয়ে তিনি জাতীয় দলের হয়ে ৯৭ ম্যাচে ৩৩টি গোল করেছে।
রোনালদিনহো ১৯৮৭ সালে গ্রেমিও’র হয়ে নিজের ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু করেন। ১৯৯৮ সালে ক্লাবটির সিনিয়র দলে সুযোগ করে নেন তিনি। ২০০১ সালে ফরাসি জায়ান্ট দল প্যারিস সেইন্ট জার্মেইনে পাড়ি জমান এ ব্রাজিল তারকা।
সাবেক ক্লাবের বিপক্ষেই নিজ দেশে নতুন ক্লাবের হয়ে নেমেছিলেন রোনালদিনহো। নিজে গোল করতে না পারলেও দারুণ সব পাস দিয়ে ফ্লুমিনেসকে জয়ের রাস্তা বাতলে দিতে থাকেন তিনি। রিও ডি জেনিরোর এ ম্যাচে ৭৭ মিনিটে ফ্লুমিনেস লিড নেয়। আর এ গোলেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রোনালদিনহোর নতুন ক্লাব।
ম্যাচের ৭৭তম মিনিটে গোলটি করেন মার্কোস জুনিয়র। আর দলের জয়সূচক একমাত্র গোলটিতে অবদান রোনালদিনহোর। লম্বা পাসে বল পেয়েছিলেন মার্কোস। সেটি থেকে গোলটি আদায় করেন তিনি।
সম্প্রতি ৩৫ বছরের এ তারকা ব্রাজিলের ক্লাব ফ্লুমিনেসে যোগ দেন। গত মাসে মেক্সিকান ক্লাব কুইরেতারো রোনালদিনহোকে ছেড়ে দেওয়ার পরে এজেন্ট মুক্ত ছিলেন তিনি। ফুটবল ক্যারিয়ারে বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে খেলা রোনালদিনহো প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন, বার্সেলোনা ও এসি মিলানের মত বড় ক্লাবগুলোতে খেলেছেন। ১৯৯৯ সালে সেলেকাওদের হয়ে অভিষেক হয়ে তিনি জাতীয় দলের হয়ে ৯৭ ম্যাচে ৩৩টি গোল করেছে।
Saturday, July 25, 2015
গাংনীতে কনস্টেবলকে কুপিয়ে হত্যা
পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে আলাউদ্দীন (৩০) নামে এক কনস্টেবলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল রাত পৌনে ৮টার দিকে রাস্তায় গাড়ি তল্লাশির সময় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলাউদ্দীনের বাড়ি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার খলিসাকুণ্ডি গ্রামে। গাংনী থানার ওসি আকরাম হোসেন জানান, গাংনীর ধামানদী-কাজীপুর সড়কের তালতলায় চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনকালে গাড়ি তল্লাশির সময় দুর্বৃত্তরা কনস্টেবল আলাউদ্দীনকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে রাস্তায় ফেলে দেয়।
পুলিশকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠাল পুলিশ : রাজশাহী মহানগরীর তেরখাদিয়া এলাকায় ওয়ারেন্টের আসামি ধরতে গিয়ে এক পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ কনস্টেবল উজির হোসেন নগরীর শাহ মখদুম থানায় কর্মরত। জানা গেছে, ওয়ারেন্টের আসামি মোমিনকে গ্রেফতার করে বোয়ালিয়া মডেল থানায় আনার সময় উজির নিজেকে পুলিশ কনস্টেবল পরিচয় দেন। মোমিনকে থানায় নিতে বাধা দেন। এ সময় বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশের সঙ্গে উজির হোসেনের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে অন্য পুলিশরা উজিরকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পুলিশকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠাল পুলিশ : রাজশাহী মহানগরীর তেরখাদিয়া এলাকায় ওয়ারেন্টের আসামি ধরতে গিয়ে এক পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ কনস্টেবল উজির হোসেন নগরীর শাহ মখদুম থানায় কর্মরত। জানা গেছে, ওয়ারেন্টের আসামি মোমিনকে গ্রেফতার করে বোয়ালিয়া মডেল থানায় আনার সময় উজির নিজেকে পুলিশ কনস্টেবল পরিচয় দেন। মোমিনকে থানায় নিতে বাধা দেন। এ সময় বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশের সঙ্গে উজির হোসেনের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে অন্য পুলিশরা উজিরকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ৩য় শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ৩য় শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে মহাসিন (৪৫) নামের এক নরপশু। এ ঘটনায় সহযোগিতা করার অভিযোগে গ্রামবাসী আবিরণ (৪০) নামের এক মহিলাকে আটক করেছে।
শনিবার সকালে উপজেলার দামোদরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মেয়েটির বাবা মোবাইল ফোনে জানান, শনিবার সকালে প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। এ সময় তার তৃতীয় শ্রেণীতে পড়–য়া মেয়েকে পাশের বাড়ির মৃত আনসার আলীর স্ত্রী আবিরণ ডেকে নিয়ে যায়।
এর আগে আবিরনের ঘরে লুকিয়ে থাকা মহাসিন তার মেয়েকে ধর্ষণ করে। মেয়ের চিৎকারে আশে পাশের লোকজন ছুটে আসলে মহাসিন পালিয়ে যায়। তিনি আরো জানান, মেয়ের অবস্থা আংশকাজনক। তারা তাকে হাসপাতালে আনার ব্যবস্থা করছেন।
এদিকে এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রামবাসী আবিরণ নামের ঐ মহিলাকে আটক করে মারপিট করে।
কালীগঞ্জ থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। ইতিমধ্যে একজন এসআইকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। মেয়ের পরিবার থেকে লিখিত অভিযোগ দিলে আমরা ব্যবস্থা নিব।
শনিবার সকালে উপজেলার দামোদরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মেয়েটির বাবা মোবাইল ফোনে জানান, শনিবার সকালে প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। এ সময় তার তৃতীয় শ্রেণীতে পড়–য়া মেয়েকে পাশের বাড়ির মৃত আনসার আলীর স্ত্রী আবিরণ ডেকে নিয়ে যায়।
এর আগে আবিরনের ঘরে লুকিয়ে থাকা মহাসিন তার মেয়েকে ধর্ষণ করে। মেয়ের চিৎকারে আশে পাশের লোকজন ছুটে আসলে মহাসিন পালিয়ে যায়। তিনি আরো জানান, মেয়ের অবস্থা আংশকাজনক। তারা তাকে হাসপাতালে আনার ব্যবস্থা করছেন।
এদিকে এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রামবাসী আবিরণ নামের ঐ মহিলাকে আটক করে মারপিট করে।
কালীগঞ্জ থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। ইতিমধ্যে একজন এসআইকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। মেয়ের পরিবার থেকে লিখিত অভিযোগ দিলে আমরা ব্যবস্থা নিব।
পুলিশ রাস্ট্রীয় মর্যাদার বাইরে কেন? প্রসঙ্গ : কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশ হত্যা
প্রজাতন্ত্রেও জানমাল রক্ষা ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে ক্ষেত্র বিশেষে অণ্যান্য বাহিনীকে ব্যবহার করা হলেও এখনো বাংলাদেশ পুলিশই একমাত্র প্রধান ভরসা আমাদের। দুষ্ট্রের দমন আর শিষ্টের পালন মূলমন্ত্র নিয়ে কাজ করতে গিয়ে এদেশের পুলিশকেই সমালোচিত হতে হয় বেশি। গুটি কয়েক রাক্ষসী মাছের জন্যে পুকুরে বিষ সমস্ত মাছকে বিষাক্ত করে তোলা আর গুটি কয়েক পুলিশ সদস্যদের কুকর্মের দায়ভার সমস্ত বাহিনীর উপর চাপিয়ে দিতে আমরাও বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।
তাই পুলিশ বাহিনীর মাঝে যে সবাই পচে যায় নি তাই প্রমান করলো কক্সবাজারের পুলিশ কনস্টেবল পারভেজ। রবীন্দ্রনাথের সেই বিলাসী গল্পের কথাই যেন মনে করিয়ে দিল তিনি।“ মৃত্যুঞ্জয় মরিয়া প্রমান করিল সে মরে নাই” আর পুলিশ কনস্টেবল পারভেজ মরিয় প্রমান করিল পুলিশ বাহিনী এখনো মরে নাই। মাত্র বাইশ বছর বয়সে, পুলিশের কন্সটেবলের চাকুরি করত পারভেজ। প্রতিদিন ষোল থেকে আঠারো ঘন্টা ডিউটি, ছুটিবিহীন। মাথার উপরে সিনিয়র অফিসারের হুকুম, আর সাধারন জনগনের গালিগালাজ। কেননা গালি দেবার বেলায় আমরা বাঙালিদের ঝুড়ি মেলা ভার। নাগালের বাইরে থেকে সুযোগ পেলে মনের মতো করে সবার উপরই হেডাম দেখাতে ভয় করি না-আর পুলিশ তো কোন বিষয়ই না!
দুষ্ট বদমায়েশ নেই হেন কোন জায়গা এদেশে নেই, তবে বিচিত্র কারণে সবাই মনে করে- একমাত্র পুলিশ ছাড়া এদেশের বাকি সবাই স্বয়ং ভগবান প্রেরিত দেবদূতবিশেষ! নাম পারভেজ হোসেন( ২২) , পুলিশ কন্সটেবল, টুরিস্ট পুলিশ ইউনিট, কক্সবাজার। জনগনের মাল রক্ষা করতে গিয়ে দিতে হল তাকে তাজা প্রান । এরকম শত শত কন্সটেবল পারভেজের রক্তে এই ভাঙাচোরা দেশের মানুষ রাতের বেলা শান্তিতে ঘুমায়, তারপর সকাল বেলা নিজের কুকাম ঢাকতে ট্রাফিক সার্জেন্টকে ঘুষ দেয়। দুপুরে ভাত খাবার আগে মাদারচোত পুলিশ বলে গালি দিতেও ভোলেনা আবার! এই হল আমরা বাঙ্গালী। সবুজ টি শার্টের উপর ছুরির আঘাতে বের হওয়া রক্ত যেন ঠিক বাংলাদেশের পতাকা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন হবেনা ওর, কিন্তু বাংলা মায়ের পতাকা ওর বুকে জড়ানো ঠেকল কই! তাহলে পুলিশ কি রাষ্ট্রের মর্যাদার বাইরেই থেকে যাবে? পুলিশ মরলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা পাবেন না এই ব্যর্থতা পুলিশের রাগল বোয়াল মার্ক কর্মকর্তাদেরই। আপনারা সাধারন ফোর্সদের দিয়ে মাছ ধরে এনে তার কৃতিত্ব নিতে হুমড়ী খেয়ে পড়েন আর মাছ খাওয়া শেষে তার কাঁটাটুকু ফেলে আসার জন্যে এক মুহুর্ত দেরী করেন না।
এদেশের একজন সৈনিক যদি মরনের পর রাস্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন হয় সরকার কর্র্তৃক বিশেষ স্বীকৃতি পায় তাহলে জনগনের সেবা করতে গিয়ে প্রান চলে গেলেও কেন একজন পুলিশের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন হবে না বা হয় না এমন প্রশ্নের উত্তর কি স্বয়ং পুলিশ বাহিনীর রাঘব বোয়ালরা তুলতে পারেন না? করবেন ই বা কেন আপনারা তো আছেন বেশ! বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যেমন সম্মান পায় তেমনি পুলিশের মাঝেও তেমন শৃঙ্খলাবোধ তৈরী করে এবং তাদের মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মান প্রদর্শন কেবল উচিতই নয় এ আমাদের বিশাল দায়বদ্ধতা। আদৌ কি সেই দায়বদ্ধতার ভার কেউ নিতে চাইবেন?
তাই পুলিশ বাহিনীর মাঝে যে সবাই পচে যায় নি তাই প্রমান করলো কক্সবাজারের পুলিশ কনস্টেবল পারভেজ। রবীন্দ্রনাথের সেই বিলাসী গল্পের কথাই যেন মনে করিয়ে দিল তিনি।“ মৃত্যুঞ্জয় মরিয়া প্রমান করিল সে মরে নাই” আর পুলিশ কনস্টেবল পারভেজ মরিয় প্রমান করিল পুলিশ বাহিনী এখনো মরে নাই। মাত্র বাইশ বছর বয়সে, পুলিশের কন্সটেবলের চাকুরি করত পারভেজ। প্রতিদিন ষোল থেকে আঠারো ঘন্টা ডিউটি, ছুটিবিহীন। মাথার উপরে সিনিয়র অফিসারের হুকুম, আর সাধারন জনগনের গালিগালাজ। কেননা গালি দেবার বেলায় আমরা বাঙালিদের ঝুড়ি মেলা ভার। নাগালের বাইরে থেকে সুযোগ পেলে মনের মতো করে সবার উপরই হেডাম দেখাতে ভয় করি না-আর পুলিশ তো কোন বিষয়ই না!
দুষ্ট বদমায়েশ নেই হেন কোন জায়গা এদেশে নেই, তবে বিচিত্র কারণে সবাই মনে করে- একমাত্র পুলিশ ছাড়া এদেশের বাকি সবাই স্বয়ং ভগবান প্রেরিত দেবদূতবিশেষ! নাম পারভেজ হোসেন( ২২) , পুলিশ কন্সটেবল, টুরিস্ট পুলিশ ইউনিট, কক্সবাজার। জনগনের মাল রক্ষা করতে গিয়ে দিতে হল তাকে তাজা প্রান । এরকম শত শত কন্সটেবল পারভেজের রক্তে এই ভাঙাচোরা দেশের মানুষ রাতের বেলা শান্তিতে ঘুমায়, তারপর সকাল বেলা নিজের কুকাম ঢাকতে ট্রাফিক সার্জেন্টকে ঘুষ দেয়। দুপুরে ভাত খাবার আগে মাদারচোত পুলিশ বলে গালি দিতেও ভোলেনা আবার! এই হল আমরা বাঙ্গালী। সবুজ টি শার্টের উপর ছুরির আঘাতে বের হওয়া রক্ত যেন ঠিক বাংলাদেশের পতাকা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন হবেনা ওর, কিন্তু বাংলা মায়ের পতাকা ওর বুকে জড়ানো ঠেকল কই! তাহলে পুলিশ কি রাষ্ট্রের মর্যাদার বাইরেই থেকে যাবে? পুলিশ মরলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা পাবেন না এই ব্যর্থতা পুলিশের রাগল বোয়াল মার্ক কর্মকর্তাদেরই। আপনারা সাধারন ফোর্সদের দিয়ে মাছ ধরে এনে তার কৃতিত্ব নিতে হুমড়ী খেয়ে পড়েন আর মাছ খাওয়া শেষে তার কাঁটাটুকু ফেলে আসার জন্যে এক মুহুর্ত দেরী করেন না।
এদেশের একজন সৈনিক যদি মরনের পর রাস্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন হয় সরকার কর্র্তৃক বিশেষ স্বীকৃতি পায় তাহলে জনগনের সেবা করতে গিয়ে প্রান চলে গেলেও কেন একজন পুলিশের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন হবে না বা হয় না এমন প্রশ্নের উত্তর কি স্বয়ং পুলিশ বাহিনীর রাঘব বোয়ালরা তুলতে পারেন না? করবেন ই বা কেন আপনারা তো আছেন বেশ! বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যেমন সম্মান পায় তেমনি পুলিশের মাঝেও তেমন শৃঙ্খলাবোধ তৈরী করে এবং তাদের মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মান প্রদর্শন কেবল উচিতই নয় এ আমাদের বিশাল দায়বদ্ধতা। আদৌ কি সেই দায়বদ্ধতার ভার কেউ নিতে চাইবেন?
Friday, July 24, 2015
অবশেষে চূড়ান্ত হলো সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সম্ভাব্য সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ৫০০ টাকা ও সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা (নির্ধারিত) রেখে পর্যালোচনা প্রতিবেদনের খসড়া প্রায় চূড়ান্ত করা হয়েছে।
অষ্টম বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা করতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞার নেতৃত্বে গঠিত কমিটি এ খসড়া প্রায় চূড়ান্ত করেছে। বৃহস্পতিবার বিকালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ নিয়ে কমিটির দীর্ঘ বৈঠক হয়। বৈঠকে নতুন বেতন স্কেলের খসড়াটি প্রায় চূড়ান্ত করা হয়। তবে আগামীকাল শনিবার ছুটির দিনও কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে খসড়াটির সামান্য পরিবর্তন আসতে পারে বলে বৈঠকের একটি সূত্র আভাস দিয়েছে।
সূত্র আরও জানায়, পর্যালোচনা প্রতিবেদনে পে-কমিশনের সুপারিশ আমলে রেখে বেতন কাঠামো পুনর্নির্ধারণের ক্ষেত্রে দেশের আর্থসামাজিক বাস্তবতা, সরকারের সম্পদ সমাবেশ ও আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন নির্ধারণ বিষয়ে পে-কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা কমিটির প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, পর্যালোচনা কমিটির সুপারিশ আগামী সপ্তাহে অর্থমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হবে। আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি তোলা হবে কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, হয়তো সেটা সম্ভব হবে না। কারণ অর্থমন্ত্রীর কাছে পাঠানো প্রতিবেদনও পরিবর্তন হতে পারে।
একই ধরনের মন্তব্য করেছেন বেতন পর্যালোচনা কমিটির সদস্যসচিব ও অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ। তার কাছেও একই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে এখন আমি কোনো কথা বলব না। অপেক্ষা করেন দেখতে পাবেন।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বাধীন গঠিত পে-কমিশন সর্বোচ্চ ৮৮ হাজার ও সর্বনিম্ন ৮ হাজার ২০০ টাকা বেতন স্কেলের সুপারিশ দিয়েছিল।
সূত্রমতে, এতে আগের বেতন স্কেল থেকে সর্বনিম্ন গ্রেডে শতভাগই বাড়ছে। তবে সর্বোচ্চ গ্রেডসহ মধ্যবর্তী গ্রেড স্তরে বেতন বৃদ্ধির হার ন্যূনতম ৭৩ শতাংশ থেকে ৮৫ শতাংশ ওঠানামা করেছে।
এ ছাড়া চাকরিজীবীদের সপ্তম বেতন স্কেলে নির্ধারিত বেতনের সঙ্গে অষ্টম পে অ্যান্ড সার্ভিসেস কমিশন গঠন হওয়ার পর নতুন করে ৪০ শতাংশ হারে মহার্ঘ্য ভাতা যোগ হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে এ সুবিধা উঠে যাবে। ফলে বিদ্যমান বেতন স্তর থেকে চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির হার গ্রেড ভেদে প্রায় ৪১ শতাংশ থেকে ৫১ শতাংশ পর্যন্ত গড়ে বৃদ্ধি পেতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পর্যালোচনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, বেতন কাঠামোর গ্রেড স্তর বিদ্যমান ২০টির পরিবর্তে পে-কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ১৬টির প্রবর্তন করা হবে কিনা এবং টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য বেতন পর্যালোচনা কমিটি ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি। এ দুটি বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার বিষয়টি অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, বেতন পর্যালোচনা কমিটি ২০টি গ্রেড ধরে নতুন বেতন স্কেলে পুনর্নির্ধারিত সম্ভাব্য গ্রেড স্তর কেমন হবে এবং ১৬টি ধরা হলে গ্রেড স্তর কেমন হবে তাও চূড়ান্ত করেছে। এই দুই স্তরেই বেতন কাঠামো হিসেব করে অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রতিবেদন দেয়া হবে। ওই গ্রেড স্তরে সর্বনিম্ন গ্রেড ৮ হাজার ৫০০ টাকার পাশাপাশি বিকল্প অপশন হিসেবে ৮ হাজার ২৫০ টাকারও প্রস্তাব থাকছে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন বেতন কাঠামো আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা হবে। এ ক্ষেত্রে একসঙ্গে শতাভাগ বেতন স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে না। পর্যায়ক্রমে দুই থেকে তিন ভাগে বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে মন্ত্রণালয়।
এ জন্য আগামী বাজেটে বেতন-ভাতা খাতে বর্তমানের চেয়ে অতিরিক্ত ১৩ হাজার থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। সূত্র আরও জানায়, নতুন বেতন স্কেল এপ্রিল থেকেই বাস্তবায়নের চিন্তা ছিল সরকারের। কিন্তু চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে চলতি বাজেটে এক ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। যে কারণে বাস্তবায়ন পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা হবে।
সরকারি চাকরিজীবীদের শতভাগ বেতন বাড়ানোর সুপারিশ করে গত ২১ ডিসেম্বর অষ্টম বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।
কমিশনের রিপোর্ট পেয়ে সরকার একটি পর্যালোচনা কমিটি গঠন করে। গত ১ জানুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। ওই সময় কমিটিকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে বেতন কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিরূপণ করে সরকারের কাছে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল।
কিন্তু পরে কমিটির কার্যকাল বাড়ানো হয়। ইতিমধ্যে কমিটির কার্যকাল প্রায় সাড়ে চার মাস পার হয়েছে। কমিটিতে সদস্য হিসেবে অন্যদের মধ্যে আছেন অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব।
# দুই ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করবে সরকার
# চূড়ান্ত হলো অষ্টম বেতন কাঠামো
# নতুন পে স্কেলের ওপর সচিব কমিটির সুপারিশ চূড়ান্ত
# প্রতিবেদনের পর পে-কমিশন বিষয়ে সিদ্ধান্ত : মুহিত
# বরাদ্দ বাড়ছে বেতন-ভাতা খাতে
# ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ -
অষ্টম বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা করতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞার নেতৃত্বে গঠিত কমিটি এ খসড়া প্রায় চূড়ান্ত করেছে। বৃহস্পতিবার বিকালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ নিয়ে কমিটির দীর্ঘ বৈঠক হয়। বৈঠকে নতুন বেতন স্কেলের খসড়াটি প্রায় চূড়ান্ত করা হয়। তবে আগামীকাল শনিবার ছুটির দিনও কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে খসড়াটির সামান্য পরিবর্তন আসতে পারে বলে বৈঠকের একটি সূত্র আভাস দিয়েছে।
সূত্র আরও জানায়, পর্যালোচনা প্রতিবেদনে পে-কমিশনের সুপারিশ আমলে রেখে বেতন কাঠামো পুনর্নির্ধারণের ক্ষেত্রে দেশের আর্থসামাজিক বাস্তবতা, সরকারের সম্পদ সমাবেশ ও আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন নির্ধারণ বিষয়ে পে-কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা কমিটির প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, পর্যালোচনা কমিটির সুপারিশ আগামী সপ্তাহে অর্থমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হবে। আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি তোলা হবে কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, হয়তো সেটা সম্ভব হবে না। কারণ অর্থমন্ত্রীর কাছে পাঠানো প্রতিবেদনও পরিবর্তন হতে পারে।
একই ধরনের মন্তব্য করেছেন বেতন পর্যালোচনা কমিটির সদস্যসচিব ও অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ। তার কাছেও একই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে এখন আমি কোনো কথা বলব না। অপেক্ষা করেন দেখতে পাবেন।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বাধীন গঠিত পে-কমিশন সর্বোচ্চ ৮৮ হাজার ও সর্বনিম্ন ৮ হাজার ২০০ টাকা বেতন স্কেলের সুপারিশ দিয়েছিল।
সূত্রমতে, এতে আগের বেতন স্কেল থেকে সর্বনিম্ন গ্রেডে শতভাগই বাড়ছে। তবে সর্বোচ্চ গ্রেডসহ মধ্যবর্তী গ্রেড স্তরে বেতন বৃদ্ধির হার ন্যূনতম ৭৩ শতাংশ থেকে ৮৫ শতাংশ ওঠানামা করেছে।
এ ছাড়া চাকরিজীবীদের সপ্তম বেতন স্কেলে নির্ধারিত বেতনের সঙ্গে অষ্টম পে অ্যান্ড সার্ভিসেস কমিশন গঠন হওয়ার পর নতুন করে ৪০ শতাংশ হারে মহার্ঘ্য ভাতা যোগ হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে এ সুবিধা উঠে যাবে। ফলে বিদ্যমান বেতন স্তর থেকে চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির হার গ্রেড ভেদে প্রায় ৪১ শতাংশ থেকে ৫১ শতাংশ পর্যন্ত গড়ে বৃদ্ধি পেতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পর্যালোচনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, বেতন কাঠামোর গ্রেড স্তর বিদ্যমান ২০টির পরিবর্তে পে-কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ১৬টির প্রবর্তন করা হবে কিনা এবং টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য বেতন পর্যালোচনা কমিটি ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি। এ দুটি বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার বিষয়টি অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, বেতন পর্যালোচনা কমিটি ২০টি গ্রেড ধরে নতুন বেতন স্কেলে পুনর্নির্ধারিত সম্ভাব্য গ্রেড স্তর কেমন হবে এবং ১৬টি ধরা হলে গ্রেড স্তর কেমন হবে তাও চূড়ান্ত করেছে। এই দুই স্তরেই বেতন কাঠামো হিসেব করে অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রতিবেদন দেয়া হবে। ওই গ্রেড স্তরে সর্বনিম্ন গ্রেড ৮ হাজার ৫০০ টাকার পাশাপাশি বিকল্প অপশন হিসেবে ৮ হাজার ২৫০ টাকারও প্রস্তাব থাকছে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন বেতন কাঠামো আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা হবে। এ ক্ষেত্রে একসঙ্গে শতাভাগ বেতন স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে না। পর্যায়ক্রমে দুই থেকে তিন ভাগে বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে মন্ত্রণালয়।
এ জন্য আগামী বাজেটে বেতন-ভাতা খাতে বর্তমানের চেয়ে অতিরিক্ত ১৩ হাজার থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। সূত্র আরও জানায়, নতুন বেতন স্কেল এপ্রিল থেকেই বাস্তবায়নের চিন্তা ছিল সরকারের। কিন্তু চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে চলতি বাজেটে এক ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। যে কারণে বাস্তবায়ন পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা হবে।
সরকারি চাকরিজীবীদের শতভাগ বেতন বাড়ানোর সুপারিশ করে গত ২১ ডিসেম্বর অষ্টম বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।
কমিশনের রিপোর্ট পেয়ে সরকার একটি পর্যালোচনা কমিটি গঠন করে। গত ১ জানুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। ওই সময় কমিটিকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে বেতন কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিরূপণ করে সরকারের কাছে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল।
কিন্তু পরে কমিটির কার্যকাল বাড়ানো হয়। ইতিমধ্যে কমিটির কার্যকাল প্রায় সাড়ে চার মাস পার হয়েছে। কমিটিতে সদস্য হিসেবে অন্যদের মধ্যে আছেন অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব।
# দুই ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করবে সরকার
# চূড়ান্ত হলো অষ্টম বেতন কাঠামো
# নতুন পে স্কেলের ওপর সচিব কমিটির সুপারিশ চূড়ান্ত
# প্রতিবেদনের পর পে-কমিশন বিষয়ে সিদ্ধান্ত : মুহিত
# বরাদ্দ বাড়ছে বেতন-ভাতা খাতে
# ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ -
Subscribe to:
Posts (Atom)






