পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে আলাউদ্দীন (৩০) নামে এক কনস্টেবলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল রাত পৌনে ৮টার দিকে রাস্তায় গাড়ি তল্লাশির সময় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলাউদ্দীনের বাড়ি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার খলিসাকুণ্ডি গ্রামে। গাংনী থানার ওসি আকরাম হোসেন জানান, গাংনীর ধামানদী-কাজীপুর সড়কের তালতলায় চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনকালে গাড়ি তল্লাশির সময় দুর্বৃত্তরা কনস্টেবল আলাউদ্দীনকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে রাস্তায় ফেলে দেয়।
পুলিশকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠাল পুলিশ : রাজশাহী মহানগরীর তেরখাদিয়া এলাকায় ওয়ারেন্টের আসামি ধরতে গিয়ে এক পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ কনস্টেবল উজির হোসেন নগরীর শাহ মখদুম থানায় কর্মরত। জানা গেছে, ওয়ারেন্টের আসামি মোমিনকে গ্রেফতার করে বোয়ালিয়া মডেল থানায় আনার সময় উজির নিজেকে পুলিশ কনস্টেবল পরিচয় দেন। মোমিনকে থানায় নিতে বাধা দেন। এ সময় বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশের সঙ্গে উজির হোসেনের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে অন্য পুলিশরা উজিরকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
Saturday, July 25, 2015
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ৩য় শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ৩য় শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে মহাসিন (৪৫) নামের এক নরপশু। এ ঘটনায় সহযোগিতা করার অভিযোগে গ্রামবাসী আবিরণ (৪০) নামের এক মহিলাকে আটক করেছে।
শনিবার সকালে উপজেলার দামোদরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মেয়েটির বাবা মোবাইল ফোনে জানান, শনিবার সকালে প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। এ সময় তার তৃতীয় শ্রেণীতে পড়–য়া মেয়েকে পাশের বাড়ির মৃত আনসার আলীর স্ত্রী আবিরণ ডেকে নিয়ে যায়।
এর আগে আবিরনের ঘরে লুকিয়ে থাকা মহাসিন তার মেয়েকে ধর্ষণ করে। মেয়ের চিৎকারে আশে পাশের লোকজন ছুটে আসলে মহাসিন পালিয়ে যায়। তিনি আরো জানান, মেয়ের অবস্থা আংশকাজনক। তারা তাকে হাসপাতালে আনার ব্যবস্থা করছেন।
এদিকে এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রামবাসী আবিরণ নামের ঐ মহিলাকে আটক করে মারপিট করে।
কালীগঞ্জ থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। ইতিমধ্যে একজন এসআইকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। মেয়ের পরিবার থেকে লিখিত অভিযোগ দিলে আমরা ব্যবস্থা নিব।
শনিবার সকালে উপজেলার দামোদরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মেয়েটির বাবা মোবাইল ফোনে জানান, শনিবার সকালে প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। এ সময় তার তৃতীয় শ্রেণীতে পড়–য়া মেয়েকে পাশের বাড়ির মৃত আনসার আলীর স্ত্রী আবিরণ ডেকে নিয়ে যায়।
এর আগে আবিরনের ঘরে লুকিয়ে থাকা মহাসিন তার মেয়েকে ধর্ষণ করে। মেয়ের চিৎকারে আশে পাশের লোকজন ছুটে আসলে মহাসিন পালিয়ে যায়। তিনি আরো জানান, মেয়ের অবস্থা আংশকাজনক। তারা তাকে হাসপাতালে আনার ব্যবস্থা করছেন।
এদিকে এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রামবাসী আবিরণ নামের ঐ মহিলাকে আটক করে মারপিট করে।
কালীগঞ্জ থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। ইতিমধ্যে একজন এসআইকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। মেয়ের পরিবার থেকে লিখিত অভিযোগ দিলে আমরা ব্যবস্থা নিব।
পুলিশ রাস্ট্রীয় মর্যাদার বাইরে কেন? প্রসঙ্গ : কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশ হত্যা
প্রজাতন্ত্রেও জানমাল রক্ষা ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে ক্ষেত্র বিশেষে অণ্যান্য বাহিনীকে ব্যবহার করা হলেও এখনো বাংলাদেশ পুলিশই একমাত্র প্রধান ভরসা আমাদের। দুষ্ট্রের দমন আর শিষ্টের পালন মূলমন্ত্র নিয়ে কাজ করতে গিয়ে এদেশের পুলিশকেই সমালোচিত হতে হয় বেশি। গুটি কয়েক রাক্ষসী মাছের জন্যে পুকুরে বিষ সমস্ত মাছকে বিষাক্ত করে তোলা আর গুটি কয়েক পুলিশ সদস্যদের কুকর্মের দায়ভার সমস্ত বাহিনীর উপর চাপিয়ে দিতে আমরাও বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।
তাই পুলিশ বাহিনীর মাঝে যে সবাই পচে যায় নি তাই প্রমান করলো কক্সবাজারের পুলিশ কনস্টেবল পারভেজ। রবীন্দ্রনাথের সেই বিলাসী গল্পের কথাই যেন মনে করিয়ে দিল তিনি।“ মৃত্যুঞ্জয় মরিয়া প্রমান করিল সে মরে নাই” আর পুলিশ কনস্টেবল পারভেজ মরিয় প্রমান করিল পুলিশ বাহিনী এখনো মরে নাই। মাত্র বাইশ বছর বয়সে, পুলিশের কন্সটেবলের চাকুরি করত পারভেজ। প্রতিদিন ষোল থেকে আঠারো ঘন্টা ডিউটি, ছুটিবিহীন। মাথার উপরে সিনিয়র অফিসারের হুকুম, আর সাধারন জনগনের গালিগালাজ। কেননা গালি দেবার বেলায় আমরা বাঙালিদের ঝুড়ি মেলা ভার। নাগালের বাইরে থেকে সুযোগ পেলে মনের মতো করে সবার উপরই হেডাম দেখাতে ভয় করি না-আর পুলিশ তো কোন বিষয়ই না!
দুষ্ট বদমায়েশ নেই হেন কোন জায়গা এদেশে নেই, তবে বিচিত্র কারণে সবাই মনে করে- একমাত্র পুলিশ ছাড়া এদেশের বাকি সবাই স্বয়ং ভগবান প্রেরিত দেবদূতবিশেষ! নাম পারভেজ হোসেন( ২২) , পুলিশ কন্সটেবল, টুরিস্ট পুলিশ ইউনিট, কক্সবাজার। জনগনের মাল রক্ষা করতে গিয়ে দিতে হল তাকে তাজা প্রান । এরকম শত শত কন্সটেবল পারভেজের রক্তে এই ভাঙাচোরা দেশের মানুষ রাতের বেলা শান্তিতে ঘুমায়, তারপর সকাল বেলা নিজের কুকাম ঢাকতে ট্রাফিক সার্জেন্টকে ঘুষ দেয়। দুপুরে ভাত খাবার আগে মাদারচোত পুলিশ বলে গালি দিতেও ভোলেনা আবার! এই হল আমরা বাঙ্গালী। সবুজ টি শার্টের উপর ছুরির আঘাতে বের হওয়া রক্ত যেন ঠিক বাংলাদেশের পতাকা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন হবেনা ওর, কিন্তু বাংলা মায়ের পতাকা ওর বুকে জড়ানো ঠেকল কই! তাহলে পুলিশ কি রাষ্ট্রের মর্যাদার বাইরেই থেকে যাবে? পুলিশ মরলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা পাবেন না এই ব্যর্থতা পুলিশের রাগল বোয়াল মার্ক কর্মকর্তাদেরই। আপনারা সাধারন ফোর্সদের দিয়ে মাছ ধরে এনে তার কৃতিত্ব নিতে হুমড়ী খেয়ে পড়েন আর মাছ খাওয়া শেষে তার কাঁটাটুকু ফেলে আসার জন্যে এক মুহুর্ত দেরী করেন না।
এদেশের একজন সৈনিক যদি মরনের পর রাস্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন হয় সরকার কর্র্তৃক বিশেষ স্বীকৃতি পায় তাহলে জনগনের সেবা করতে গিয়ে প্রান চলে গেলেও কেন একজন পুলিশের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন হবে না বা হয় না এমন প্রশ্নের উত্তর কি স্বয়ং পুলিশ বাহিনীর রাঘব বোয়ালরা তুলতে পারেন না? করবেন ই বা কেন আপনারা তো আছেন বেশ! বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যেমন সম্মান পায় তেমনি পুলিশের মাঝেও তেমন শৃঙ্খলাবোধ তৈরী করে এবং তাদের মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মান প্রদর্শন কেবল উচিতই নয় এ আমাদের বিশাল দায়বদ্ধতা। আদৌ কি সেই দায়বদ্ধতার ভার কেউ নিতে চাইবেন?
তাই পুলিশ বাহিনীর মাঝে যে সবাই পচে যায় নি তাই প্রমান করলো কক্সবাজারের পুলিশ কনস্টেবল পারভেজ। রবীন্দ্রনাথের সেই বিলাসী গল্পের কথাই যেন মনে করিয়ে দিল তিনি।“ মৃত্যুঞ্জয় মরিয়া প্রমান করিল সে মরে নাই” আর পুলিশ কনস্টেবল পারভেজ মরিয় প্রমান করিল পুলিশ বাহিনী এখনো মরে নাই। মাত্র বাইশ বছর বয়সে, পুলিশের কন্সটেবলের চাকুরি করত পারভেজ। প্রতিদিন ষোল থেকে আঠারো ঘন্টা ডিউটি, ছুটিবিহীন। মাথার উপরে সিনিয়র অফিসারের হুকুম, আর সাধারন জনগনের গালিগালাজ। কেননা গালি দেবার বেলায় আমরা বাঙালিদের ঝুড়ি মেলা ভার। নাগালের বাইরে থেকে সুযোগ পেলে মনের মতো করে সবার উপরই হেডাম দেখাতে ভয় করি না-আর পুলিশ তো কোন বিষয়ই না!
দুষ্ট বদমায়েশ নেই হেন কোন জায়গা এদেশে নেই, তবে বিচিত্র কারণে সবাই মনে করে- একমাত্র পুলিশ ছাড়া এদেশের বাকি সবাই স্বয়ং ভগবান প্রেরিত দেবদূতবিশেষ! নাম পারভেজ হোসেন( ২২) , পুলিশ কন্সটেবল, টুরিস্ট পুলিশ ইউনিট, কক্সবাজার। জনগনের মাল রক্ষা করতে গিয়ে দিতে হল তাকে তাজা প্রান । এরকম শত শত কন্সটেবল পারভেজের রক্তে এই ভাঙাচোরা দেশের মানুষ রাতের বেলা শান্তিতে ঘুমায়, তারপর সকাল বেলা নিজের কুকাম ঢাকতে ট্রাফিক সার্জেন্টকে ঘুষ দেয়। দুপুরে ভাত খাবার আগে মাদারচোত পুলিশ বলে গালি দিতেও ভোলেনা আবার! এই হল আমরা বাঙ্গালী। সবুজ টি শার্টের উপর ছুরির আঘাতে বের হওয়া রক্ত যেন ঠিক বাংলাদেশের পতাকা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন হবেনা ওর, কিন্তু বাংলা মায়ের পতাকা ওর বুকে জড়ানো ঠেকল কই! তাহলে পুলিশ কি রাষ্ট্রের মর্যাদার বাইরেই থেকে যাবে? পুলিশ মরলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা পাবেন না এই ব্যর্থতা পুলিশের রাগল বোয়াল মার্ক কর্মকর্তাদেরই। আপনারা সাধারন ফোর্সদের দিয়ে মাছ ধরে এনে তার কৃতিত্ব নিতে হুমড়ী খেয়ে পড়েন আর মাছ খাওয়া শেষে তার কাঁটাটুকু ফেলে আসার জন্যে এক মুহুর্ত দেরী করেন না।
এদেশের একজন সৈনিক যদি মরনের পর রাস্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন হয় সরকার কর্র্তৃক বিশেষ স্বীকৃতি পায় তাহলে জনগনের সেবা করতে গিয়ে প্রান চলে গেলেও কেন একজন পুলিশের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন হবে না বা হয় না এমন প্রশ্নের উত্তর কি স্বয়ং পুলিশ বাহিনীর রাঘব বোয়ালরা তুলতে পারেন না? করবেন ই বা কেন আপনারা তো আছেন বেশ! বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যেমন সম্মান পায় তেমনি পুলিশের মাঝেও তেমন শৃঙ্খলাবোধ তৈরী করে এবং তাদের মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মান প্রদর্শন কেবল উচিতই নয় এ আমাদের বিশাল দায়বদ্ধতা। আদৌ কি সেই দায়বদ্ধতার ভার কেউ নিতে চাইবেন?
Friday, July 24, 2015
অবশেষে চূড়ান্ত হলো সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সম্ভাব্য সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ৫০০ টাকা ও সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা (নির্ধারিত) রেখে পর্যালোচনা প্রতিবেদনের খসড়া প্রায় চূড়ান্ত করা হয়েছে।
অষ্টম বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা করতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞার নেতৃত্বে গঠিত কমিটি এ খসড়া প্রায় চূড়ান্ত করেছে। বৃহস্পতিবার বিকালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ নিয়ে কমিটির দীর্ঘ বৈঠক হয়। বৈঠকে নতুন বেতন স্কেলের খসড়াটি প্রায় চূড়ান্ত করা হয়। তবে আগামীকাল শনিবার ছুটির দিনও কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে খসড়াটির সামান্য পরিবর্তন আসতে পারে বলে বৈঠকের একটি সূত্র আভাস দিয়েছে।
সূত্র আরও জানায়, পর্যালোচনা প্রতিবেদনে পে-কমিশনের সুপারিশ আমলে রেখে বেতন কাঠামো পুনর্নির্ধারণের ক্ষেত্রে দেশের আর্থসামাজিক বাস্তবতা, সরকারের সম্পদ সমাবেশ ও আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন নির্ধারণ বিষয়ে পে-কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা কমিটির প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, পর্যালোচনা কমিটির সুপারিশ আগামী সপ্তাহে অর্থমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হবে। আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি তোলা হবে কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, হয়তো সেটা সম্ভব হবে না। কারণ অর্থমন্ত্রীর কাছে পাঠানো প্রতিবেদনও পরিবর্তন হতে পারে।
একই ধরনের মন্তব্য করেছেন বেতন পর্যালোচনা কমিটির সদস্যসচিব ও অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ। তার কাছেও একই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে এখন আমি কোনো কথা বলব না। অপেক্ষা করেন দেখতে পাবেন।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বাধীন গঠিত পে-কমিশন সর্বোচ্চ ৮৮ হাজার ও সর্বনিম্ন ৮ হাজার ২০০ টাকা বেতন স্কেলের সুপারিশ দিয়েছিল।
সূত্রমতে, এতে আগের বেতন স্কেল থেকে সর্বনিম্ন গ্রেডে শতভাগই বাড়ছে। তবে সর্বোচ্চ গ্রেডসহ মধ্যবর্তী গ্রেড স্তরে বেতন বৃদ্ধির হার ন্যূনতম ৭৩ শতাংশ থেকে ৮৫ শতাংশ ওঠানামা করেছে।
এ ছাড়া চাকরিজীবীদের সপ্তম বেতন স্কেলে নির্ধারিত বেতনের সঙ্গে অষ্টম পে অ্যান্ড সার্ভিসেস কমিশন গঠন হওয়ার পর নতুন করে ৪০ শতাংশ হারে মহার্ঘ্য ভাতা যোগ হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে এ সুবিধা উঠে যাবে। ফলে বিদ্যমান বেতন স্তর থেকে চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির হার গ্রেড ভেদে প্রায় ৪১ শতাংশ থেকে ৫১ শতাংশ পর্যন্ত গড়ে বৃদ্ধি পেতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পর্যালোচনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, বেতন কাঠামোর গ্রেড স্তর বিদ্যমান ২০টির পরিবর্তে পে-কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ১৬টির প্রবর্তন করা হবে কিনা এবং টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য বেতন পর্যালোচনা কমিটি ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি। এ দুটি বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার বিষয়টি অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, বেতন পর্যালোচনা কমিটি ২০টি গ্রেড ধরে নতুন বেতন স্কেলে পুনর্নির্ধারিত সম্ভাব্য গ্রেড স্তর কেমন হবে এবং ১৬টি ধরা হলে গ্রেড স্তর কেমন হবে তাও চূড়ান্ত করেছে। এই দুই স্তরেই বেতন কাঠামো হিসেব করে অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রতিবেদন দেয়া হবে। ওই গ্রেড স্তরে সর্বনিম্ন গ্রেড ৮ হাজার ৫০০ টাকার পাশাপাশি বিকল্প অপশন হিসেবে ৮ হাজার ২৫০ টাকারও প্রস্তাব থাকছে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন বেতন কাঠামো আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা হবে। এ ক্ষেত্রে একসঙ্গে শতাভাগ বেতন স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে না। পর্যায়ক্রমে দুই থেকে তিন ভাগে বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে মন্ত্রণালয়।
এ জন্য আগামী বাজেটে বেতন-ভাতা খাতে বর্তমানের চেয়ে অতিরিক্ত ১৩ হাজার থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। সূত্র আরও জানায়, নতুন বেতন স্কেল এপ্রিল থেকেই বাস্তবায়নের চিন্তা ছিল সরকারের। কিন্তু চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে চলতি বাজেটে এক ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। যে কারণে বাস্তবায়ন পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা হবে।
সরকারি চাকরিজীবীদের শতভাগ বেতন বাড়ানোর সুপারিশ করে গত ২১ ডিসেম্বর অষ্টম বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।
কমিশনের রিপোর্ট পেয়ে সরকার একটি পর্যালোচনা কমিটি গঠন করে। গত ১ জানুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। ওই সময় কমিটিকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে বেতন কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিরূপণ করে সরকারের কাছে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল।
কিন্তু পরে কমিটির কার্যকাল বাড়ানো হয়। ইতিমধ্যে কমিটির কার্যকাল প্রায় সাড়ে চার মাস পার হয়েছে। কমিটিতে সদস্য হিসেবে অন্যদের মধ্যে আছেন অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব।
# দুই ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করবে সরকার
# চূড়ান্ত হলো অষ্টম বেতন কাঠামো
# নতুন পে স্কেলের ওপর সচিব কমিটির সুপারিশ চূড়ান্ত
# প্রতিবেদনের পর পে-কমিশন বিষয়ে সিদ্ধান্ত : মুহিত
# বরাদ্দ বাড়ছে বেতন-ভাতা খাতে
# ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ -
অষ্টম বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা করতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞার নেতৃত্বে গঠিত কমিটি এ খসড়া প্রায় চূড়ান্ত করেছে। বৃহস্পতিবার বিকালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ নিয়ে কমিটির দীর্ঘ বৈঠক হয়। বৈঠকে নতুন বেতন স্কেলের খসড়াটি প্রায় চূড়ান্ত করা হয়। তবে আগামীকাল শনিবার ছুটির দিনও কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে খসড়াটির সামান্য পরিবর্তন আসতে পারে বলে বৈঠকের একটি সূত্র আভাস দিয়েছে।
সূত্র আরও জানায়, পর্যালোচনা প্রতিবেদনে পে-কমিশনের সুপারিশ আমলে রেখে বেতন কাঠামো পুনর্নির্ধারণের ক্ষেত্রে দেশের আর্থসামাজিক বাস্তবতা, সরকারের সম্পদ সমাবেশ ও আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন নির্ধারণ বিষয়ে পে-কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা কমিটির প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, পর্যালোচনা কমিটির সুপারিশ আগামী সপ্তাহে অর্থমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হবে। আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি তোলা হবে কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, হয়তো সেটা সম্ভব হবে না। কারণ অর্থমন্ত্রীর কাছে পাঠানো প্রতিবেদনও পরিবর্তন হতে পারে।
একই ধরনের মন্তব্য করেছেন বেতন পর্যালোচনা কমিটির সদস্যসচিব ও অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ। তার কাছেও একই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে এখন আমি কোনো কথা বলব না। অপেক্ষা করেন দেখতে পাবেন।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বাধীন গঠিত পে-কমিশন সর্বোচ্চ ৮৮ হাজার ও সর্বনিম্ন ৮ হাজার ২০০ টাকা বেতন স্কেলের সুপারিশ দিয়েছিল।
সূত্রমতে, এতে আগের বেতন স্কেল থেকে সর্বনিম্ন গ্রেডে শতভাগই বাড়ছে। তবে সর্বোচ্চ গ্রেডসহ মধ্যবর্তী গ্রেড স্তরে বেতন বৃদ্ধির হার ন্যূনতম ৭৩ শতাংশ থেকে ৮৫ শতাংশ ওঠানামা করেছে।
এ ছাড়া চাকরিজীবীদের সপ্তম বেতন স্কেলে নির্ধারিত বেতনের সঙ্গে অষ্টম পে অ্যান্ড সার্ভিসেস কমিশন গঠন হওয়ার পর নতুন করে ৪০ শতাংশ হারে মহার্ঘ্য ভাতা যোগ হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে এ সুবিধা উঠে যাবে। ফলে বিদ্যমান বেতন স্তর থেকে চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির হার গ্রেড ভেদে প্রায় ৪১ শতাংশ থেকে ৫১ শতাংশ পর্যন্ত গড়ে বৃদ্ধি পেতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পর্যালোচনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, বেতন কাঠামোর গ্রেড স্তর বিদ্যমান ২০টির পরিবর্তে পে-কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ১৬টির প্রবর্তন করা হবে কিনা এবং টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য বেতন পর্যালোচনা কমিটি ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি। এ দুটি বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার বিষয়টি অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, বেতন পর্যালোচনা কমিটি ২০টি গ্রেড ধরে নতুন বেতন স্কেলে পুনর্নির্ধারিত সম্ভাব্য গ্রেড স্তর কেমন হবে এবং ১৬টি ধরা হলে গ্রেড স্তর কেমন হবে তাও চূড়ান্ত করেছে। এই দুই স্তরেই বেতন কাঠামো হিসেব করে অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রতিবেদন দেয়া হবে। ওই গ্রেড স্তরে সর্বনিম্ন গ্রেড ৮ হাজার ৫০০ টাকার পাশাপাশি বিকল্প অপশন হিসেবে ৮ হাজার ২৫০ টাকারও প্রস্তাব থাকছে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন বেতন কাঠামো আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা হবে। এ ক্ষেত্রে একসঙ্গে শতাভাগ বেতন স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে না। পর্যায়ক্রমে দুই থেকে তিন ভাগে বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে মন্ত্রণালয়।
এ জন্য আগামী বাজেটে বেতন-ভাতা খাতে বর্তমানের চেয়ে অতিরিক্ত ১৩ হাজার থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। সূত্র আরও জানায়, নতুন বেতন স্কেল এপ্রিল থেকেই বাস্তবায়নের চিন্তা ছিল সরকারের। কিন্তু চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে চলতি বাজেটে এক ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। যে কারণে বাস্তবায়ন পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা হবে।
সরকারি চাকরিজীবীদের শতভাগ বেতন বাড়ানোর সুপারিশ করে গত ২১ ডিসেম্বর অষ্টম বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।
কমিশনের রিপোর্ট পেয়ে সরকার একটি পর্যালোচনা কমিটি গঠন করে। গত ১ জানুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। ওই সময় কমিটিকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে বেতন কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিরূপণ করে সরকারের কাছে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল।
কিন্তু পরে কমিটির কার্যকাল বাড়ানো হয়। ইতিমধ্যে কমিটির কার্যকাল প্রায় সাড়ে চার মাস পার হয়েছে। কমিটিতে সদস্য হিসেবে অন্যদের মধ্যে আছেন অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব।
# দুই ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করবে সরকার
# চূড়ান্ত হলো অষ্টম বেতন কাঠামো
# নতুন পে স্কেলের ওপর সচিব কমিটির সুপারিশ চূড়ান্ত
# প্রতিবেদনের পর পে-কমিশন বিষয়ে সিদ্ধান্ত : মুহিত
# বরাদ্দ বাড়ছে বেতন-ভাতা খাতে
# ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ -
Thursday, July 23, 2015
বিল গেটস সম্পর্কে ১৫টি অজানা তথ্য
বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের একজন বিল গেটস। মাইক্রোসফটের এই সহ প্রতিষ্ঠাতার মোট সম্পদের পরিমাণ ৭৯ বিলিয়ন ডলার। ২০০৮ সাল থেকে তিনি দানশীল হিসাবে আবির্ভূত হয়েছেন। ইতিমধ্যে ৩০ বিলিয়ন ডলার দান করে দিয়েছেন। অধিকাংশ সম্পদই তিনি বিলিয়ে দেবেন। এখানে জেনে নিন তার সম্পর্কে ১৫টি তথ্য যা অনেকেই জানেন না।
১. বিলের বাবা ছিলেন খ্যাতিমান আইনজীবী। তার প্রপিতামহ একটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। দাদা তার শৈশবেই মিলিয়ন ডলারের একটি ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করে যান।
২. কলেজের দ্বিতীয় বর্ষে তিনি এমন এক গাণিতিক সমস্যার সমাধান করেছিলেন যা বিগত ৩০ বছরে কেউ সমাধান করতে পারেননি। এই ঘটনা একাডেমিক জার্নালে প্রকাশিত হয়।
৩. রাতে খাবারের পর নিজের প্লেটটা নিজেই ধুতে পছন্দ করেন বিল।
৪. নিজের বিশাল বিমানটিকে 'দোষপূর্ণ আচরণ' বলে মনে করেন তিনি। এর পেছনে প্রচুর খরচ যায়।
৫. মাইক্রসফটে থাকাকালীন মিটিং এবং ইমেইল প্রচুর অর্থহীন কথা বলতেন বিল গেটস। তবে কাউকে কখনো ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেননি তিনি।
৬. গাড়ির গতিতে নেশা ছিল তার। অনেকগুলো পোর্শে কিনেছিলেন। বেশ কয়েকবার উচ্চ গতিতে গাড়ি চালানোর জন্যে জরিমানা খেয়েছেন।
৭. তরুণ বয়সে নির্ভীক ছিলেন গেটস। ১৯৮০-এর দিকে একবার তিনি এবং সহকর্মী অ্যালেন একটি ফ্লাইট মিস করেন। বিমানটি রীতিমতো রানওয়েতে দৌড় শুরু করেছে। বিল জেন ওয়ে কন্ট্রোলে গিয়ে এলোমেলোভাবে সুইচ চাপতে শুরু করলেন। আটক হননি, বরং বিমান ফিরে এসে নিয়ে যায় তাদের।
৮. বিল গেটসের সেন্স অব হিউমার মারাত্মক। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা বোঝেন না মানুষ।
৯. গত বছর তার একটি ভিডিও দারুণ জনপ্রিয় হয়ে যায়। এর লিঙ্ক তিনি তার নিজস্ব ব্লগ ওয়েবসাইটে দিয়ে রেখেছেন।
১০. গোটা জীবনে ১০০ বিলিয়ন ডলার তিনি দান করে দেবেন বলে মনে ইচ্ছা পোষণ করেন।
১১. বিলের দানের সব অর্থ নিজের ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে খরচ হয় না। কিছু বিষয়ে নিজেই পকেটের অর্থ খরচ করেন। যেমন- কোনো এলাকায় ক্লিন এনার্জির ব্যবস্থা করে দিলেন।
১২. যদিও বিল গেটস মাইক্রোসফট থেকে সরে এসে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার দূরে ঠেলে দিয়েছেন, কিন্তু এখনো তিনি এমন কিছু ব্যবসার মালিক যা তাকে অন্যদের চেয়ে দ্রুততার সঙ্গে ধনী করতেই থাকবে।
১৩. তিনি নিজেকে বড় মাপের দানশীল মানুষ বলে মনে করেন না।
১৪. মাইক্রোসফট তার আয়ের উৎস না থাকলেও বেশ কিছু ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন তিনি। সেখান থেকে আসা আয়ের পুরোটাই উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করেন। এসব কাজে তার গোপন অস্ত্র মাইকেল লারসেন, বিলের ব্যবসার ম্যানেজার।
১৫. মাইক্রোসফটের সবচেয়ে বড় শেয়ারহোল্ডার হিসাবে বিল গেটসের নাম নেই। কিন্তু কয়েক বছর ধরে বড় অঙ্কের শেয়ার প্রতিবছরই বিক্রি করে চলেছেন। কিন্তু এগুলো শেষ হচ্ছে না। সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার
Wednesday, July 22, 2015
ঈদের নাটকে ইমরুল কায়েস
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ইমরুল কায়েস এবার অভিনয় করলেন। 'ফুলকুমারী' নামের একটি নাটকে দেখা যাবে তাকে।
গল্পে অবশ্য ইমরুলের চরিত্রটি ক্রিকেটারেরই। বিজরী বরকতউল্লাহ তার ভক্ত। একদিন তার সঙ্গে দেখা হওয়ার পর কথাবার্তার এক পর্যায়ে তার অটোগ্রাফ নেন বিজরী।
নাটকটিতে আরও আছেন ইন্তেখাব দিনার ও নাদিয়া আহমেদ। এটি লিখেছেন - রূপান্তর, পরিচালনায় জামালউদ্দীন জামিল। আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঈদের ষষ্ঠ দিন দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে বৈশাখী টিভিতে প্রচার হবে 'ফুলকুমারী'।
Monday, July 20, 2015
ফোনে কল দিয়ে কেউ উত্যক্ত করছে? খুব সহজে বের করে ফেলুন তার নাম-ঠিকানা
মোবাইলে অচেনা নম্বর থেকে ক্রমাগত কল বা মিসকল আসার মত বিরক্তিকর ব্যাপার কিছুই হতে পারে না। বিশেষত মেয়েদের জন্যে এই ভোগান্তি তো একেবারেই অলিখিত। বকাঝকা, ফোন সাইলেন্ট করে রাখা কোন কিছুতেই যেন কাজ হয় না। কিন্তু ভাবুন তো, অচেনা এই লোকটির নাম ঠিকানা যদি এক মিনিটেই আপনার হাতের মুঠোয় চলে আসে, আর আপনি উলটো তার নাম ধরে ডেকে বেশ ভালো রকম একটা হুমকী দিতে পারেন, কিংবা সহজেই পুলিশের কাছে তার নাম ঠিকানা দিয়ে দিতে পারেন, তাহলে কি ভালোটাই না হতো! না স্বপ্ন নয় একেবারেই, প্রযুক্তির উৎকর্ষে এই ছোট্ট কাজটি আপনি করতে পারেন স্রেফ ঘরে বসেই। আপনার স্মার্টফোনে গুগল প্লে স্টোর থেকে কয়েক সেকেন্ডেই নামিয়ে নিতে পারেন, এইসব অচেনা নাম্বার থেকে ফোনদাতার নাম ঠিকানা, সবই!
True caller:
এই ছোট্ট অ্যাপস টি পাবেন গুগল প্লে স্টোরে। এটি আপনার ফোনে ইন্সটল করে নিন। তারপর কোন অচেনা নম্বর থেকে ফোন এলেই, স্রেফ জাদুর মত আপনার ফোনে ভেসে উঠবে কলদাতার নাম। তবে হ্যাঁ, শর্ত প্রযোজ্য। সেই নম্বরটি যদি তার নামে রেজিস্ট্রেশন করা থাকে, তবেই আপনি এই সুবিধাটা পাবেন। আর সেই লোক যদি ফেসবুকে এই নম্বরটি ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে তো দেখতে পাবেন তার ছবি সহই! দেখে নিন তো, পরিচিত কেউই আপনার সাথে এই বিরক্তিকর আচরণটি করছে কিনা! বাড়তি পাওনা হিসেবে বিনেপয়সায় আপনি এই কলদাতাকে ব্লক করে রাখতে পারবেন।
Facebook:
বার বার ফোন করতেই থাকা বিরক্তিকর নম্বরটিকে কিন্তু আপনি ট্র্যাক করতে পারেন ফেসবুকের মাধ্যমেও। ফেসবুকের সার্চ অপশনে গিয়ে ফোন নম্বরটি টাইপ করুন। সে ব্যক্তি যদি এই ফোন নম্বরটি তার একাউন্টে ব্যবহার করে (করার সম্ভাবনা খুব বেশী), তাহলে তাকে সহজেই খুঁজে পাওয়া সম্ভব।
LINE whoscall:
অনেকটা ট্রুকলারের মতই এটিও অচেনা ফোনদাতার রেজিস্টার্ড নাম ও অন্যান্য তথ্য ও তার মোবাইলে লোকেশন অন থাকলে তার ঠিকানা অব্দি দেখিয়ে দেবে আপনাকে।
Mobile Number Locator:
অচেনা নম্বর থেকে ফোনদাতার রেজিস্টার্ড নাম জানবে এই অ্যাপটি। অ্যাপটির অন্যতম সুবিধা হচ্ছে, এটি ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই কাজ করে। ইনকামিং ও আউটগোয়িং কল চলাকালীনই কলারের ও প্রাপকের বিস্তারিত জানিয়ে দেয় এই অ্যাপ। গুগল ম্যাপের সাহায্যে এই অ্যাপ কলারের লোকেশনও দেখিয়ে দেবে।
আমি নিজে ট্রু কলার ব্যবহার করি। তবে, আপনি আপনার সুবিধামত যে কোনটি বেছে নিতে পারেন। আর দেরী কেন, মুখোশ খুলে নিন বিরক্তিকর ফোন বা মিসকলদাতার। ভালো থাকুন!
True caller:
এই ছোট্ট অ্যাপস টি পাবেন গুগল প্লে স্টোরে। এটি আপনার ফোনে ইন্সটল করে নিন। তারপর কোন অচেনা নম্বর থেকে ফোন এলেই, স্রেফ জাদুর মত আপনার ফোনে ভেসে উঠবে কলদাতার নাম। তবে হ্যাঁ, শর্ত প্রযোজ্য। সেই নম্বরটি যদি তার নামে রেজিস্ট্রেশন করা থাকে, তবেই আপনি এই সুবিধাটা পাবেন। আর সেই লোক যদি ফেসবুকে এই নম্বরটি ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে তো দেখতে পাবেন তার ছবি সহই! দেখে নিন তো, পরিচিত কেউই আপনার সাথে এই বিরক্তিকর আচরণটি করছে কিনা! বাড়তি পাওনা হিসেবে বিনেপয়সায় আপনি এই কলদাতাকে ব্লক করে রাখতে পারবেন।
Facebook:
বার বার ফোন করতেই থাকা বিরক্তিকর নম্বরটিকে কিন্তু আপনি ট্র্যাক করতে পারেন ফেসবুকের মাধ্যমেও। ফেসবুকের সার্চ অপশনে গিয়ে ফোন নম্বরটি টাইপ করুন। সে ব্যক্তি যদি এই ফোন নম্বরটি তার একাউন্টে ব্যবহার করে (করার সম্ভাবনা খুব বেশী), তাহলে তাকে সহজেই খুঁজে পাওয়া সম্ভব।
LINE whoscall:
অনেকটা ট্রুকলারের মতই এটিও অচেনা ফোনদাতার রেজিস্টার্ড নাম ও অন্যান্য তথ্য ও তার মোবাইলে লোকেশন অন থাকলে তার ঠিকানা অব্দি দেখিয়ে দেবে আপনাকে।
Mobile Number Locator:
অচেনা নম্বর থেকে ফোনদাতার রেজিস্টার্ড নাম জানবে এই অ্যাপটি। অ্যাপটির অন্যতম সুবিধা হচ্ছে, এটি ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই কাজ করে। ইনকামিং ও আউটগোয়িং কল চলাকালীনই কলারের ও প্রাপকের বিস্তারিত জানিয়ে দেয় এই অ্যাপ। গুগল ম্যাপের সাহায্যে এই অ্যাপ কলারের লোকেশনও দেখিয়ে দেবে।
আমি নিজে ট্রু কলার ব্যবহার করি। তবে, আপনি আপনার সুবিধামত যে কোনটি বেছে নিতে পারেন। আর দেরী কেন, মুখোশ খুলে নিন বিরক্তিকর ফোন বা মিসকলদাতার। ভালো থাকুন!
Subscribe to:
Posts (Atom)






